Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

উপজেলা কৃষি অফিসের দায়িত্ব

·  মান সম্মত সম্প্রসারণ কর্মসূচি তৈরী করা।

·  কৃষক এবং কারিগরী ষ্টাফদের জন্য প্রশিক্ষণ সামগ্রী তৈরী করা।

·  ব্লক পর্যায়ে যে সব সমস্যা ডিএই সমাধান করতে পারছে না তা টিএইসিসি এর মাধ্যমে অন্যান্য সহযোগী সংস্থাকে অথবা জেলার বিশেষজ্ঞদের জানানো।

·  কৃষি উপকরণ সরবরাহকারী, কৃষি পণ্যের বাজারজাতকারীসহ উপজেলা পর্যায়ে কৃষক সমিতি ও অন্যান্য সংস্থার সাথে যোগসূত্র রক্ষা করা।

·  শস্য বহুমুখীকরণ, সম্প্রসারণ পদ্ধতি, উপকরণ ও ঋণ সরবরাহ এবং কৃষকদের মধ্যে প্রযুক্তি হস্তান্তর ইত্যাদি বিষয়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের উন্নতমানের পরামর্শ দেয়া।

·  মাঠ পর্যায়ে বিবিধ অনুষ্ঠানে ( যেমন-চাষী র‌্যালি, মাঠ দিবস, উদ্ধুদ্ধকরণ ভ্রমণ) উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সহায়তা দান করা।

·  উপজেলা পর্যায়ের সম্প্রসারণ কর্মকান্ড (যেমন- কৃষি মেলা, কৃষক প্রশিক্ষণ) পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা।

·  টিএইসিসি এর মাধ্যমে অন্যান্য সম্প্রসারণ সেবা দানকারীদের সংগে সম্পর্ক ও কাজের সমন্বয় করা।

·  উপজেলা পরিকল্পনা কর্মশালা অগ ৫২৫২৫২নুষ্ঠান ও পরিচালনা করা।

·  ষ্টাফদের প্রশিক্ষণ চাহিদা নিরুপণ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া।

·  পাক্ষিক উপজেলা প্রশিক্ষণ দিবস পরিকল্পনা ও আয়োজন করা।

·  পাক্ষিক কর্মসূচি ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা সভা ও মাঠ পরিদর্শনের মাধ্যমে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের কাজকর্ম পরিবীক্ষণ নিশ্চিত করা।

·  উপজেলা পর্যায়ে সেমস ও ক্যাপ ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় করা।

·  ডিইপিসি এবং অন্যান্য সভায় অন্তত একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তার যোগদান নিশ্চিত করা।

·  উপজেলার বাজেট ব্যবস্থাপনা এবং সময়মতো হিসাব নিকাশ নিশ্চিত করা।

·  উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে জরুরী আপৎকালীন তথ্যসহ অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ এবং তা যথাযথ ফরমে জেলা, অঞ্চল বা সদর দপ্তরে প্রেরণ করা

·   সিটিজেন চার্টার

০১। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর সিটিজেন চার্টারঃ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর একটি সরকারী সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এ অধিদপ্তরের মূল দায়িত্বই হচ্ছে আধুনিক ও লাগসই প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে এদেশের কৃষি উন্নয়ন কর্মকান্ডে জড়িত বিভিন্ন সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগসূত্র রচনা করে কৃষি উন্নয়নের গতিধারাকে তরান্বিত করা। এ কাজে কেন্দ্র থেকে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত প্রায় ২৪,০০০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী কাজ করছেন। প্রযুক্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কৃষি পরিবেশ, কৃষকের আর্থসামাজিক অবস্থা, বাজার চাহিদা ইত্যাদি বিষয়ক গুরুত্ব দিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ দেশের কৃষি ও কৃষকের সেবা প্রদান করে আসছে।

 অধিদপ্তরের সিটিজেন চার্টার নিম্নরূপঃ

০১)       সকল শ্রেণীর কৃষকের জন্য কৃষি সম্প্রসারণ সহায়তা দেয়াঃসব ধরনের কৃষক পরিবারের সকল সদস্য তাদের প্রয়োজনীয় যাতে সেবা পেতে পারে তার নিশ্চয়তা দেয়া।

০২)      কৃষকদের দক্ষ সম্প্রসারণ সেবা প্রদানঃদক্ষ সম্প্রসারণ কর্মীর মাধ্যমে শস্য, মৎস্য, পশুসম্পদ, বন ও পারিবারিক উদ্যোগে কৃষকের সর্বাধিক ব্যয় সাশ্রয়ী সেবা প্রদান করা।

০৩)     কৃষি বিষয়ক কর্মসূচী প্রণয়ন বিকেন্দ্রীকরণঃ তথ্য চাহিদা চিহ্নিতকরণ ও চাহিদার প্রতি সাড়া প্রদান, স্থানীয় সম্পদ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, কর্মসূচী পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ এবং গণমাধ্যম ভিত্তিক ভাবে কর্মসূচী প্রণয়ন।

০৪)       চাহিদাভিতিক কৃষি সম্প্রসারণঃচিহ্নিত চাহিদা, সমস্যা ও সম্ভাব্যতার উপর ভিত্তি করেই সকল সম্প্রসারণ কার্যক্রম ও গবেষণাদি ও বিষয়বস্ত্ত নির্ধারণ করা।

০৫)      সকল শ্রেণীর কৃষকদলের সাথে কাজ করাঃকৃষকের কাজে সর্বাধিক সুবিধা পৌছে দিতে মাঠ পর্যায়ে বিদ্যমান, পারস্পরিক স্বার্থসংশিস্নষ্ট বিভিন্ন প্রকার কৃষকদলের সাথে কাজ করা।

০৬)      কৃষি গবেষণা ও কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদারকরণঃকৃষকদের উপযুক্ত পরামর্শ দিতে তাদের প্রয়োজনীয় কৃষি গবেষণাগারের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান বের করতে কৃষি গবেষণা ও কৃষি সম্প্রসারণ এর সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলা।

০৭)      সম্প্রসারণ কর্মীদের জন্য প্রশিক্ষণঃকৃষকের সেবা ও চাহিদার উপর ভিত্তি করে সম্প্রসারণ কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া।

০৮)      উপযুক্ত সম্প্রসারণ পদ্ধতির ব্যবহারঃবিভিন্ন শ্রেণীর কৃষকের সুনির্দিষ্ট সম্প্রসারণ উদ্দেশ্যাবলী অর্জনের লক্ষ্যে সম্প্রসারণ সংস্থা ও কর্মীবৃন্দ খামার পরিদর্শন, গণমাধ্যম, প্রশিক্ষণ, মেলা, পরিদর্শন ও উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ এবং অংশ গ্রহণমূলক পদ্ধতিসমূহ ব্যবহার।

০৯)      সমন্বিত সম্প্রসারণ সহায়তা প্রদানঃকৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আরও বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী সংস্থার সাথে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে সম্প্রসারণ সহায়তা প্রদান করে।

১০)       সম্মিলিত সম্প্রসারণ কার্যক্রমঃসম্পদ সমূহের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সংশিস্নষ্ট সংস্থাগুলির মধ্যে তথ্য ও দক্ষতা বিনিময়ের মাধ্যমে সম্প্রসারণ সেবা দান করা।

১১)       পরিবেশ সংরক্ষণে সমন্বিত সহায়তা প্রদানঃপ্রাকৃতিক পরিবেশের জীব বৈচিত্রের ভারসাম্য রক্ষার অনুকূলে ভূমি, পানি ও বায়ুদূষণ ও ক্ষয় নিয়ন্ত্রন দূর করা, পরিবেশ সুরক্ষাকারী এবং ব্যবস্থাপনা ও সরকারী এবং ব্যক্তিখাতের পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়াবলী রক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

১২)      কৃষি বানিজ্যিকরণঃকৃষকের উৎপাদিত পণ্যে বাজারজাতকরনে এবং ন্যায্যমূল্য পেতে সহায়তা করা। কৃষক এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে পৌছানো।